বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের স্তোত্রপাঠে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’র অনেক অজানা কাহিনী

বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের স্তোত্রপাঠে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’র অনেক অজানা কাহিনী

বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের স্তোত্রপাঠে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’, ‘বাইশে শ্রাবণ' আর 'মহানায়কের' অন্তিম যাত্রা

 

মা-দুর্গা যখন আমাদের কাছে আসেন, তখন প্রকৃতিই মা’কে সবার আগে স্বাগত জানায়। আকাশে তুলো তুলো মেঘের রাশি, কাশ ফুল আর শিউলি ফুলের সমাহারে মা আসবেন আশ্বিন মাসে আমাদের কাছে। গিরিরাজ পত্নী মেনকা কন্যাকে স্বপ্নে দেখে উৎকন্ঠিত হয়ে আশায় দিন গুনছেন উমার জন্য। এ ভাবনা, যে কোনও বাঙালি মায়েরই ভাবনা।

অপত্যস্নেহের এই অভিব্যক্তি অত্যন্ত আন্তরিক।  শাক্তকবিরা মেনকার মাধ্যমে বাঙালি জননীর বিশিষ্ট অনুভূতিকে যথার্থ সজীবতা এইভাবে প্রদান করেছেন। রবীন্দ্রনাথও আগমনী কবিতায় লিখছেন, -

মুখে একটিও নাহিকো বাণী

শবদচকিতা মেনকারানী

তৃষিত নয়নে আকুল হৃদয়ে,

ADVERTISEMENT
Swades Times Book

       চাহিয়া পথের পানে

আজ মেনকার আদরিণী উমা

       আসিবে বরষ-পরে

তাইতে আজিকে হরষের ধ্বনি

       উঠিয়াছে ঘরে ঘরে

এরপর পিতার সঙ্গে উমা চলে আসেন হিমালয়ে। তবে অন্যান্য বছরের মতো এই বছরটা নয়। এবার মা আসবেন আশ্বিনের বদলে কার্তিক মাসে। এ বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে ১৭ সেপ্টেম্বর মহালয়া। আর মহালয়ার ঠিক ৩৫ দিন পর আমরা আমাদের উমা মাকে আবার ফিরে পাব।

আশ্বিন মাসে কৃষ্ণপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনায় যে অমাবস্যা আসে তাই মহালয়া—পিতৃপূজা ও মাতৃপূজার সন্ধিলগ্ন অর্থাৎ পিতৃপক্ষের অবসানে, অমাবস্যার সীমানা ডিঙিয়ে আমরা যখন আলোকময় দেবীপক্ষের আগমনকে প্রত্যক্ষ করি, তখনই সেই মহালগ্নটি আমাদের জীবনে মহালয়ার বার্তা বহন করে আনে। এক্ষেত্রে স্বয়ং দেবীই হচ্ছেন সেই মহান আশ্রয়, তাই উত্তরণের লগ্নটির নাম মহালয়া। একটি অর্থ অনুসারে মহান আলয়টি হচ্ছে পিতৃলোক।

সনাতন ধর্মে কোনও শুভ কাজ করতে গেলে প্রয়াত পূর্বজ-সহ সমগ্র জীব-জগতের জন্য তর্পন করতে হয়, কার্যাদি-অজ্ঞলি প্রদান করতে হয়। তর্পন মানে হল খুশি করা। ভগবান শ্রীরাম লঙ্কা বিজয়ের আগে এই দিনে এমনই করেছিলেন। অনন্তকাল ধরে এই ভারতভূমিতে কোটি কোটি মানুষ মহালয়ার পূণ্য প্রভাতে-

ময়া দত্তেন তোয়েন তৃপ্যান্ত ভুবনত্রয়ম

আব্রহ্ম স্তম্ভ পর্যন্তং জগত্তৃপ্যতু

এই মন্ত্র উচ্চারণ করে তিন গন্ডুষ জল অঞ্জলি দিয়ে স্মরণ করে চলেছেন তাঁদের বিদেহী পিতৃপুরুষ এবং পূর্বপুরুষকে। আর সেদিনই শিউলির গন্ধে পিতৃপক্ষের অবসানে দেবীপক্ষের সূচনা। আর ভোর চারটে বাজলেই আকাশবাণীর রেডিও থেকে ভেসে আসে-

আশ্বিনের শারদপ্রাতে বেজে উঠেছে আলোকমঞ্জীর। ধরণীর বহিরাকাশে অন্তর্হিত মেঘমালা। প্রকৃতির অন্তরাকাশে জাগরিত জ্যোতির্ময়ী জগন্মাতার আগমনবার্তা। আনন্দময়ী মহামায়ার পদধ্বনি অসীম-ছন্দে বেজে উঠে রূপলোক ও রসলোকে আনে নবভাবমাধুরীর সঞ্জীবন। তাই আনন্দিতা শ্যামলী মাতৃকার চিন্ময়ীকে মৃন্ময়ীতে আবাহন। আজ চিচ্ছক্তিরূপিণী বিশ্বজননীর শারদশ্রীবিমণ্ডিতাপ্রতিমা মন্দিরে মন্দিরে ধ্যানবোধিতা।

 

স্তোত্রপাঠের পরে সুরের মূর্চ্ছনায়, সুপ্রীতি ঘোষের মায়াময় গায়কীতে- ‘বাজল তোমার আলোর বেণু’। এভাবেই প্রতি মহালয়ার ভোরে রেডিয়োতে নতুন করে আসে  ‘মহিষাসুরমর্দিনী’।  কেমন করে এর সৃষ্টি, খুঁজতে খুঁজতে একটু পিছিয়ে যাওয়া যাক।প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার প্রেমাঙ্কুর আতর্থী ওরফে ‘বুড়োদা’ এলেন সে মুখপত্র সম্পাদনার জন্যে। ১৯২৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আত্মপ্রকাশ করল রেডিয়োর নিজস্ব পত্রিকা – ‘বেতার জগৎ’।

রেডিয়োর অনুষ্ঠানকে আরোও সৃজনশীল, আরোও জনগ্রাহী করার জন্য প্রায়ই আলাপ-আলোচনা হত তখন। সেরকমই এক আলোচনায় একবার বুড়োদা মত প্রকাশ করলেন, যা যা অনুষ্ঠান চলছে, তার পাশাপাশি কিছু অভিনবত্ব আনাও দরকার। বললেন,

এই তো বাণী রয়েছে- সংস্কৃতের তো আদ্যশ্রাদ্ধ করেছে। ও-ই কতকগুলো বৈদিক শ্লোক জোগাড় করে ফেলুক, আর গান লিখুক, রাই (রাইচাঁদ বড়াল) সুর দিক, বীরেন শ্লোক আওড়াক। ভোরবেলায় লাগিয়ে দাও, লোকের লাগবে ভালো৷

 

কথাটা বেশ মনে ধরল নৃপেন মজুমদারের৷ বাণীকুমারও ভাবতে লাগলেন৷ এসব যখন কথা হচ্ছে, তখন দুর্গাপুজোর আর একমাস দেরি৷ বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র প্রস্তাব দিলেন, যদি পুজোকে কেন্দ্র করেই কিছু করা হয় তাতে চণ্ডীপাঠ অবশ্যই থাকবে৷ সকলেই সমর্থন জানালেন৷ কিন্তু একটু দ্বিধার ছোঁয়াও ছিল। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ তো কায়স্থ৷ তিনি চণ্ডীপাঠ করলে, শ্রোতারা সকলে মেনে নেবেন তো? নৃপেনবাবু বললেন,

প্রোগ্রাম করবে, তার আবার বামুন কায়েত কী হে? আমরা কি হিন্দুর মন্দিরে গিয়ে পুজো করছি? এই প্রোগ্রামে যারা বাজাবে তারা তো অর্ধেক মুসলমান- খুশী মহম্মদ, আলী, মুন্সী সবাই তো বাজাবে। তাহলে তো তাদের বাদ দিয়ে ব্রাহ্মণদের ডেকে আনতে হয়৷ তা ছাড়া আমরা একটা বিরাট উত্সবের আগে ভূমিকা হিসেবে এই প্রোগ্রাম করব। এতে কার কী বলার আছে?...”

১৯৩৪-এর ৮ই অক্টোবর প্রথমবার মহালয়ার ভোরে সম্প্রচারিত হল অনুষ্ঠানটি। ১৯৩৬ - এর ২১ অক্টোবর, ষষ্ঠীর দিনে প্রথমবার ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ নামটি ব্যবহার করা হয়।  পরের বছর, ১৯৩৭ সাল থেকে আবারও মহালয়ার ভোরেই ‘মহিষাসুরমর্দিনী’-র সম্প্রচার শুরু হল। এখনও সেই ধারাই অক্ষুণ্ণ।

প্রথম বছরের দু’ঘন্টার সেই অনুষ্ঠান শুনে মুগ্ধ শ্রোতাদের অকুন্ঠ প্রশংসা আর অভিনন্দনে ভেসে গেলেন প্রয়োজক, শিল্পীরা। প্রথম কয়েকবার ভাষ্য অংশ পাঠ করা হত স্বাভাবিক কথ্যভঙ্গিতে। সুরে নয়। একবার মহড়ায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ তাঁর নিজস্ব বাচনভঙ্গিতে চণ্ডীপাঠ করছিলেন সুরেলা কণ্ঠে। করতে করতে হঠাৎই কী মনে হল, রসিকতার ছলে বাংলা ভাষ্যটিও স্তোত্রের সুরের মত করে বলতে শুরু করলেন। বাকিরা নড়ে-চড়ে বসলেন। মুখে মৃদু হাসি। বাণীকুমার বসেছিলেন রেকর্ডিং কনসোলে। দ্রুত বেরিয়ে এসে বললেন,

আরে আরে থামলে কেন? বেশ তো হচ্ছিল! ওই ভাবেই হোক না।

বীরেন্দ্রকৃষ্ণ হেসে বললেন,

আরে না না একটু মজা করছিলাম!

কিন্তু বাণীকুমার গভীর আগ্রহ নিয়ে বললেন,

মোটেই না! দারুণ হচ্ছিল! ওইভাবেই আবার করো তো!

বীরেন্দ্রকৃষ্ণ আবার শুরু করলেন। এবার সুরে ভাষ্যপাঠ- “দেবী প্রসন্ন হলেন”।  সকলেরই ভাল লেগে গেল।

‘রূপং দেহি জয়ং দেহি যশো দেহি দ্বিষো জহি’-র পরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণের পাঠ যখন আস্তে আস্তে মিলিয়ে যায় তখন যে গানটিতে ধরা পরে ভোরের আশ্চর্য সুন্দর, স্নিগ্ধ রূপ, সেই শেষ গান- ‘শান্তি দিলে ভরি দুখরজনী গেল তিমির হরি’-তে সুর আর এক অসামান্য গুণীজন, উস্তাদ সাগিরুদ্দিন খাঁ-র।

মাত্র একবারই মহালয়ার ভোরে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’র সম্প্রচার বন্ধ হয়েছিল। আকাশবাণীর কর্তৃপক্ষ ঠিক করলেন অন্য কিছু করা যাক। ভাষ্যে উত্তমকুমারকে রাখা হোক। মিটিং হল। সেই মিটিং-এ  বাদ পড়লেন বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। বাদ পঙ্কজ কুমার মল্লিক-ও। এই নতুন উদ্যোগ তাঁদের অগোচরেই শুরু হয়েছিল। নতুন স্ক্রিপ্ট লিখলেন অধ্যাপক ধ্যানেশনারায়ণ চক্রবর্তী। সঙ্গীত রচনায় শ্যামল গুপ্ত। সঙ্গীত পরিচালনায় হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। সঙ্গীতে প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়, নির্মলা মিশ্র, বনশ্রী সেনগুপ্ত, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, অসীমা ভট্টাচার্য, অনুপ ঘোষাল, অপর্ণা সেনগুপ্ত, মান্না দে, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, পিন্টু ভট্টাচার্য, লতা মঙ্গেশকর ও আশা ভোঁসলে। স্তোত্ররচনা ও পাঠে ডঃ গোবিন্দগোপাল মুখোপাধ্যায় এবং মাধুরী চট্টোপাধ্যায়। বাংলা ও সংস্কৃত ভাষ্যপাঠে উত্তমকুমার, বসন্ত চৌধুরী, পার্থ ঘোষ, ছন্দা সেন ও রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য।

১৯৭৬-এর ২৩শে সেপ্টেম্বর মহালয়ার ভোরে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’র বদলে আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্র থেকে বেজে উঠল বিকল্প অনুষ্ঠান- ‘দেবীং ‘দুর্গতিহারিণীম্’। সে অনুষ্ঠান চূড়ান্ত ফ্লপ। বহু প্রত্যাশিত ‘মহিষাসুরমর্দিনী’  শুনতে না পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়লেন মানুষ। সকালবেলায় রেডিয়ো স্টেশনের গেটে অগুন্তি লোক।  ভাঙচুরের উপক্রম। কেন বন্ধ হল মহিষাসুরমর্দিনী, তার জবাবদিহি চাই। পত্র-পত্রিকায় সমালোচনার ঝড়। শেষে সে বছর ষষ্ঠীর সকালে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ শুনিয়ে শান্ত করা হল জনরোষ।

শোনা যায়, উত্তমকুমার নিজে ভাষ্যে অংশ নেবার দায়িত্ব নিতে চাননি। তিনি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কাছে গিয়ে নিজের অস্বস্তি আর অযোগ্যতার কথা বলেছিলেন। তাঁকে আশ্বস্ত করে উৎসাহ দিয়েছিলেন বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। বলেছিলেন, আমি তো অমর নই, একদিন না একদিন অন্যদের তো এগিয়ে আসতেই হবে এ কাজে। 

কিন্তু ১৯৭৬ সালের পর থেকে তিনি আর কখনও মহালয়ার আগের রাত্রিবেলা আকাশবাণী যাননি। অভিমান করে বলেছিলেন,

 ওরা একবার আমায় জানালোও না। আমি কি নতুন কিছুকে কোনও দিন বাধা দিয়েছি?” 

এখনও মহিষাসুরমর্দিনী ছাড়া বাঙালির দেবীপক্ষের আগমনী গান অসম্পূর্ণ।

এরপর এল ১৯৪১ সালের ৭ অগস্ট। ২২শে শ্রাবণ। আকাশবাণীর স্টেশন ডিরেক্টরের নির্দেশ, সকাল থেকে প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর কবিগুরুর খবর শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

বীরন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের অশ্রুসিক্ত কণ্ঠ ভেসে এল রেডিও থেকে। ঠাকুরবাড়িতে বেশিক্ষণ শবদেহ রাখার রীতি নেই, বিশেষত মধ্যাহ্নে যিনি প্রয়াণ করেছেন বিকেলের মধ্যে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করতেই হবে। সংবাদ সংগ্রহ করতে করতে আমরাও নিমতলা শ্মশানে এসে হাজির। ও-পারে দূরের ওই নীলাকাশে অস্তগামী সূর্য শেষ বিদায়ের ক্ষণে পশ্চিম দিগন্তে ছড়িয়ে দিল অগ্নিবর্ণ রক্তিম আভা, আর এপারে এই পৃথিবীর বুকে বহ্নিমান চিতার লেলিহান অগ্নিশিখায় পঞ্চভূতে বিলীন হল এক মহপ্রাণের পূত-পবিত্র শরীর। রবি গেল অস্তাচলে…”

তারপর আবার ৩৯ বছর পর, ২৫শে জুলাই ১৯৮০। মহানায়কের প্রয়াণে জনতার মহামিছিল। উত্তমকুমারের মৃত্যুর দিন তাঁরই পাশে দাঁড়িয়ে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র ক্যাওড়াতলা শ্মশানে তাঁর ধারাবিবরণী দিয়েছিলেন। উত্তমকুমারের শরীরে যখন আগুন ছোঁয়ানো হল, ক্ষণিকের জন্য থেমে গেলেন তিনি। চোখটা চিকচিক করে উঠল।

তার পরে তাঁর সেই চিরাচরিত কণ্ঠে বলে যেতে লাগলেন, যে সুন্দর কমনীয় শরীর মুখমন্ডল এতকাল তাঁর অজস্র ভক্তকে আনন্দ দিয়েছে, সেই শরীরে আগুন স্পর্শ করল। ছোঁয়ালেন তাঁর প্রিয়তম পুত্র গৌতম। মহানায়কের নশ্বরদেহ ঘিরে এখন আগুনের লেলিহান শিখা। একটু একটু করে গ্রাস করে নিচ্ছে তাঁর শরীরকে। আমি দেখতে পাচ্ছি, কাতারে কাতারে মানুষ এসে একবার পাদপদ্ম স্পর্শ করতে চাইছে – মহানায়ক উত্তমকুমারকে ঘিরে সাধারণ মানুষের আবেগকে কী অনায়াসে বীরেন ভদ্র নিজ কণ্ঠের দ্বারা বিহ্বল করে তোলেন রেডিওর তরঙ্গে।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধানচন্দ্র রায় প্রমুখের অন্তিমযাত্রার বিবরণও দিয়েছিলেন বীরেন্দ্রকৃষ্ণ। এর পরে ১৯৯১ সালের ৪ নভেম্বর তিনি নিজেই অমৃতলোকে যাত্রা করেন। তাঁর শেষযাত্রা আড়ম্বরহীন হয়েছিল, যা তাঁর প্রাপ্য ছিলনা। আসলে তাঁকে তো মানুষ কণ্ঠ দিয়েই চিনত। একটা কথা প্রায়ই বলতেন, “এখন আর আমায় কেউ মনে রাখে না, কিন্তু বছরে একটা দিন তাঁরা আমায় ছাড়া ভাবতে পারে না। সেদিনটা মহালয়া।”

তথ্যঋণ ও কৃতজ্ঞতা: ‘মহিষাসুরমর্দিনী’: বাণীকুমার। ইন্টারনেট।

ছবি : অনিন্দিতা সেনগুপ্ত

 


0 comments

Saurav Chakraborty

Saurav Chakraborty

Shared publicly - 16th Sep, 20 06:06 pm

অনেক অজানা কথা জানলাম। ধন্যবাদ।

Redirect to Address page

Updating Subscription details

Redirecting...Please Wait